১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা করা, তাদেরকে অসম্মানী করা মানে দেশের স্বাধীনতা অর্জনকেই অস্বীকার করা বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হুদা।
শনিবার (১০ জানুয়ারী) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হলে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কামরুল হুদা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতা শক্তির উপর শকুনের নজর পড়েছে।
স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিরা আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ১৯৭১ সালে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে তারা এখনো এদেশ নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করছে। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসকল ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে হবে এবং ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করেছেন।
তিনিই প্রথম মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় স্থাপন করেছেন। ৮০ লাখ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। ১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এদেশের মুক্তিকামী মানুষ পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। সেই সময় যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছেন সেই শক্তি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে আবারো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।’
কামরুল হুদা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মতানৈক্য থাকতে পারে কিন্তু স্বাধীনতার স্বপক্ষে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আসুন আমরা সবাই মিলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চৌদ্দগ্রামসহ ৩০০ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে মুক্তিযোদ্ধকে সমুন্নত রাখি।’
মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বারীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন— মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক মজুমদার খোকন, জয়নাল আবেদীন, আবদুল মতিন ও নূরে আলমসহ প্রমুখ।


