ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ ১৮ বছর পর গাজীপুরে জনসভা করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। আগামী মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি সকাল ১০টায় গাজীপুর শহরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এই জনসভা। এই জনসভা থেকেই ময়মনসিংহের জনসভায় যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।
এ উপলক্ষে গাজীপুরের টঙ্গীতে আজ রবিবার বিকেলে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি (BNP) নেতা হাসান উদ্দিন সরকারের বাসভবন চত্বরে। সভাপতিত্ব করেন হাসান উদ্দিন সরকার এবং সঞ্চালনা করেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর–২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করিম রনি।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সায়েদুল আলম বাবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন সরকার এবং গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার।
কাজী সায়েদুল আলম বাবুল বলেন, “এই জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এটি গাজীপুরবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দীর্ঘ ১৮ বছর পর তারেক রহমান ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন।”
তিনি জানান, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গাজীপুরে জনসভা শেষে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের আরও কয়েকটি জনসভায় অংশ নেবেন।
এ সময় তিনি বলেন, “তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি রোডম্যাপ। কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান, বেকারত্ব হ্রাস ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থাকবে জনসভায় তার বক্তব্যে।”
সভায় আরও জানানো হয়, জনসভাটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে গাজীপুর মহানগর বিএনপিকে সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের জেলা, মহানগর ও থানা ইউনিট সমন্বয়ে জনসভা প্রস্তুতিতে একত্রে কাজ করছে নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, “ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী মাঠের পাশেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (Ziaur Rahman), বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া (Khaleda Zia) এবং তারেক রহমানের স্মৃতি জড়িত। সেই ঐতিহাসিক স্থানেই জনসভা আয়োজন বিএনপির রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।”


