কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা বলেছেন, তারা (জামায়াতে ইসলামী) এখন নতুন ফর্মুলা নিয়ে এসেছে পাল্লায় ( দাঁড়িপাল্লায়) ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে। আমরা জানতে চাই- সারাদেশে ২৫০ আসনে প্রার্থী দিলেন, বাকি ৫০ আসনে যে প্রার্থী দিলেন না, তারা বেহেশতে যাবে কীভাবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এইচ জে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কামরুল হুদার বক্তব্য মনযোগ দিয়ে শুনছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. তাহের চার দলীয় ঐকজোটের প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
কামরুল হুদা বলেন, এই চৌদ্দগ্রাম অন্য কারও ঘাঁটি নয়। এটি সামনে যিনি বসে আছেন (তারেক রহমান) তার নেতাকর্মীদের ঘাঁটি। আমার যিনি প্রতিপক্ষ, তিনিও এককভাবে নির্বাচন করেছিলেন। তিনি ১৯৯৬ নির্বাচনে কী করেছিলেন আমরা দেখেছি। ২০০১ সালে তিনি যখন চার দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হয়েছিলেন, আমরা সবাই তাকে ভোট দিয়ে পাশ করিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা কী দেখলাম, আমাদের দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সেসময় আমাদের নেতাকর্মীদের অনেককে ধরে নিয়ে থানায় ঝুলিয়ে পেটানো হয়েছিল। আমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলেন।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেই নির্বাচনে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করব। স্বাধীনতার পর অনেক প্রার্থী এসেছিলেন চৌদ্দগ্রামে।
এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।


