হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসবে কেউই আমন্ত্রিত ছিলেন না, এমনকি কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারেন না—এমন মন্তব্য করেছেন কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী-র ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই বক্তব্য দেন তিনি।
তৌফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। হঠাৎ এই নির্বাচনী এলাকার একজন প্রার্থী তার দলবল নিয়ে অনুপ্রবেশ করেন। এতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, মঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।” তিনি আরও বলেন, “যদি প্রার্থী পিঠা উৎসব উপলক্ষে আসতে চাইতেন, অন্তত কলেজের প্রিন্সিপ্যালকে অবহিত করতেন। প্রিন্সিপ্যাল নিজেই ব্যবস্থা নিতেন।”
এ সময় কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল (অব.) ইমরুল কায়েস বলেন, “আমি স্টল পরিদর্শন করছিলাম। হঠাৎ গেটের সামনে দেখি ভীড়, ক্যামেরাম্যানসহ অনেক লোকজন একসঙ্গে ঢুকছে। তখন দেখি, ঢাকা-৮ আসনের একজন প্রার্থী প্রবেশ করছেন। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত পরিচয় নেই এবং তিনি আসবেন বলেও কেউ আমাকে জানায়নি।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসব ঘিরে ডিম নিক্ষেপের একটি ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। ভুক্তভোগী দাবি করেন, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত হা’\মলা। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রার্থীদের কেউই আমন্ত্রিত ছিলেন না এবং আচরণবিধি অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার প্রচারণাও অনুমোদিত নয়।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তিনি বেলা ১২টার দিকে কলেজ কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলেন এবং একই কলেজে মির্জা আব্বাসের আমন্ত্রণ ছিল দুপুর ২টায়।
তবে কলেজের গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষের বক্তব্য, এ ধরনের কোনো আমন্ত্রণপত্র বা অনুমোদনের বিষয় কলেজ প্রশাসন অবগত নয়।
এ ঘটনার পর বিষয়টি রাজনৈতিক বিতর্কে রূপ নেয়, যেখানে একপক্ষ এটিকে হা’\মলা দাবি করলেও অন্যপক্ষ এটিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ফলাফল বলেই দেখছেন।

