‘বিএনপি প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় পাবেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন’ – মিজানুর রহমান মিনু

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জয়-পরাজয় মহান আল্লাহ তাআলার ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জনসমর্থনের হিসাব কষে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়েছেন—রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের প্রতিটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করবেন। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman) দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন—এ বিষয়ে তিনি আশাবাদীই নন, বরং আত্মবিশ্বাসী।

তারেক রহমানকে তিনি ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি শাসক নন—সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর ভাষায়, “তিনি সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দেবেন, কীভাবে একটি দেশ দুঃসময় অতিক্রম করে গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করতে পারে।” তিনি আরও স্মরণ করেন জিয়াউর রহমান (Ziaur Rahman)-এর অবদান। বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছিলেন, আর তারেক রহমানও জনগণের সেবক হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মিনু বলেন, “ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে।” অতীতের নির্বাচনী অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, “এই দেশে দিনের ভোট রাতে হয়, ভোট ছাড়া সরকার হয়—এবার তা হবে না।” তাঁর আশা, জনগণ তাদের ইচ্ছামতো প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন এবং সেই রায়ই প্রতিফলিত হবে ফলাফলে।

মানুষের প্রত্যাশার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ শান্তি চায়, কর্মসংস্থান চায়। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দেশের মানুষের জন্য কাজ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বিশেষ করে রাজশাহীর মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান। তাঁর কথায়, “ইনশাআল্লাহ, আমরা কাজ শুরু করব—মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতেই।”

এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মীরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *