নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে ৩০ সদস্যের মন্ত্রিসভা, থাকছেন না দলের সিনিয়র অনেক নেতা

নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত হচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। প্রাথমিকভাবে ৩০ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় থাকছেন ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং প্রায় ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে একসঙ্গে যুক্ত করেই ভবিষ্যৎ পথচলার কাঠামো সাজানো হচ্ছে।

নতুন মন্ত্রিসভায় দলের সিনিয়র অনেক নেতা থাকছেন না—এমন তথ্যও সামনে এসেছে। তবে এটি সচেতন কৌশল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এমন একটি টিম গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন, যেখানে নবীন নেতৃত্বের উদ্যম ও প্রবীণদের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে কাজ করবে। ফলে তরুণ ও দক্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি দলের অভিজ্ঞ কয়েকজন সিনিয়র সদস্যও মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন।

দলীয় সিদ্ধান্তে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে কর্মদক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রশাসনিক ও পেশাগত দক্ষতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর ফলে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বর্তমান সরকারে দায়িত্ব পালন করছেন—এমন দু’জন ব্যক্তিও নতুন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। এতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর কৌশলই প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

টেকনোক্র্যাট কোটায়ও একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থনীতি, প্রশাসন ও নীতি নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ খাতে পেশাদার ও বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে সরকার পরিচালনায় পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা আরও জোরদার হয়।

শুধু বিএনপি নয়, দলটির নেতৃত্বাধীন জোটের একাধিক নেতাও নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। জোটগত সমন্বয় ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, নবীন নেতৃত্বের শক্তি, অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পরামর্শ এবং পেশাদারদের সম্পৃক্ততায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও কর্মমুখী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *