১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বঙ্গভবনে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (Mohammad Shahabuddin) তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল মেনে শপথগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়েই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পরপরই তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাজ্য (United Kingdom) থেকে আগত একটি প্রতিনিধিদল। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দফতরের (Foreign, Commonwealth & Development Office) ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক পার্লামেন্টারি আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা (Seema Malhotra) নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এমন বৈঠক ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিকনির্দেশনার ইঙ্গিত বহন করে।
এর আগে সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে সেই আয়োজন ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিকেল সোয়া চারটায় প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেন। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার ধারাবাহিকতায় গঠিত হয় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো।
রাষ্ট্রীয় এই আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভাকে সহায়তা করতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতায় আসা বিএনপি (Bangladesh Nationalist Party)-র নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হলো, যার প্রভাব আগামী দিনগুলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।


