বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমান (Tarique Rahman)-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এক আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাবার্তায় ট্রাম্প দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমানকে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, একটি কার্যকর বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের গতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে। তার মতে, এই চুক্তি কেবল কূটনৈতিক সম্পর্কই জোরদার করবে না, বরং উভয় দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের জন্যও বাস্তব সুফল বয়ে আনবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার এই নতুন অধ্যায় দুই দেশের জনগণের জন্য সমানভাবে উপকারী হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
চিঠিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়। ট্রাম্প জানান, একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। এর ফলে সামরিক বাহিনীর হাতে পৌঁছাতে পারে বিশ্বের মান অনুযায়ী সর্বোত্তম আমেরিকান-তৈরি সরঞ্জাম। তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রতিরক্ষা খাতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারেও ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া ট্রাম্প উভয় দেশের অংশীদারিত্বকে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান। তিনি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক (Indo-Pacific) অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সার্বভৌম দেশগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা অপরিহার্য। তার মতে, এই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ (Bangladesh) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States)-এর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চিঠির শেষাংশে ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তার এই বার্তা কেবল কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার এক ইঙ্গিতবাহী রাজনৈতিক সংকেত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।


