ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা নিহতের গুঞ্জন

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানে বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট এবং কিছু ইসরায়েলি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, তেহরানে চালানো হামলার সময় আরাফি লক্ষ্যবস্তু হন। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বা আন্তর্জাতিক প্রধান সংবাদ সংস্থাগুলো এখনো এ তথ্য নিশ্চিত করেনি।

সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরান সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ কার্যকর করে। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালনের জন্য অস্থায়ী তিন সদস্যের একটি নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করা হয়।

আরাফিকে এ কাউন্সিলে যুক্ত করা হয়। তিনি গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহ (ধর্মীয় আইনজ্ঞ) প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই পরিষদে প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে তিনিও যুক্ত হন। অন্তর্বর্তী এই পরিষদ স্থায়ী উত্তরসূরি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবে। ধর্মীয় কর্তৃত্বের দিক থেকে আরাফিকে পরিষদের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

১৯৫৯ সালে ইয়াজদ প্রদেশের মেইবদে জন্মগ্রহণ করা আরাফি ইরানের শীর্ষস্থানীয় শিয়া আলেমদের একজন। তিনি কোম শহরে প্রখ্যাত আলেমদের অধীনে পড়াশোনা করেন এবং ‘মুজতাহিদ’ মর্যাদা অর্জন করেন। ফিকহ শাস্ত্র অনুসারে এ ধরনের যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি স্বাধীনভাবে ইসলামি আইনগত রায় দিতে পারেন।

সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তার মৃত্যুর গুঞ্জন সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *