মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (Shah Amanat International Airport)-এ। এ পর্যন্ত এখান থেকে মোট ৩৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (Biman Bangladesh Airlines)-এর মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত একটি অ্যারাইভাল ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যগামী ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স (US-Bangla Airlines)-এর একটি ডিপারচার ও একটি অ্যারাইভাল ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।
পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের সূচিতেও। এয়ার অ্যারাবিয়া (Air Arabia)-র মধ্যপ্রাচ্যগামী দুটি ডিপারচার এবং দুটি অ্যারাইভাল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফলে যাত্রীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
তবে সব ফ্লাইট বন্ধ থাকেনি। মাস্কাট থেকে আসা সালামএয়ার (SalamAir)-এর ফ্লাইট ওভি-৪০১ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরবর্তীতে যাত্রী নিয়ে ওভি-৪০২ ফ্লাইট সকাল সোয়া ৯টায় মাস্কাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
একইভাবে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৮ ফ্লাইটটি সকাল পৌনে ৯টায় অবতরণ করে এবং সাড়ে ৯টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল (Mohammad Ibrahim Khalil) জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বাতিল হওয়া সাতটি ফ্লাইটসহ মোট ৩৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


