চলমান যু’দ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাকে যু’\দ্ধবন্দি হিসেবে আটক করার দাবি করেছে ইরান (Iran)। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি (Ali Larijani) জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহে এসব মার্কিন সেনাকে আটক করা হয়েছে।
রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই আটকের বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করছে। তবে কতজন সেনাকে আটক করা হয়েছে বা কোথা থেকে ও কীভাবে তাদের আটক করা হয়েছে—এ বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।
ইরানের এমন দাবির পরপরই তা তীব্রভাবে অস্বীকার করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (US Central Command)। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, মার্কিন সেনা আটক করার দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান সরকারের এই বক্তব্য তাদের ধারাবাহিক মিথ্যাচার এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরির আরেকটি উদাহরণ।
এদিকে ইসরাইল (Israel)-এর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ বোমা হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের জন্য আরও কঠিন সময় সামনে আসছে।
শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলের লক্ষ্য ইরানের সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং সেখানে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা। তবে তিনি দাবি করেন, ইসরাইল ইরানকে বিভক্ত করতে চায় না; বরং দেশটিকে ‘মুক্ত’ করতে চায়।
অন্যদিকে আইডিএফ (Israel Defense Forces – IDF) জানিয়েছে, তারা ইরানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো তেহরানের তেল সংরক্ষণাগার ও জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) সাংবাদিকদের বলেন, চলমান যু’দ্ধ আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এর নির্দিষ্ট সময়সীমা তিনি উল্লেখ করেননি।


