দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক জুড়ে আবারও চরম ভোগান্তির ছবি ফুটে উঠেছে। মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া অংশে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল থেকেই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও প্রকট আকার ধারণ করে। ফলে সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘ সময় আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মেঘনা সেতু এলাকার জামালদী থেকে ভবেরচর পর্যন্ত ঢাকামুখী সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং পণ্যবাহী ট্রাকগুলো ধীরগতিতে এগোচ্ছে, কোথাও কোথাও প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্তও যানজটের পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।
ঢাকাগামী যাত্রী মিজান দেওয়ান গণমাধ্যমকে জানান, জরুরি কাজে বের হয়েও সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি তিনি। বালুয়াকান্দি এলাকায় এসে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছে তাকে। তার ভাষায়, নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে অফিসে পৌঁছাতে হওয়ায় পুরো দিনের কাজের সূচি ব্যাহত হয়েছে।
একই সড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী ট্রাকচালক নুরুজ্জামান বলেন, যানজট এড়াতে বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা করেও খুব বেশি সুবিধা পাননি। তিনি জানান, সড়কে গাড়ির চাপ এতটাই বেশি যে অনেক সময় গাড়ি প্রায় থেমে থেমে এগোতে হচ্ছে।
এদিকে ভবেরচর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ গণমাধ্যমকে জানান, লাঙ্গলবন্দ এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী স্নান উৎসব উপলক্ষে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়াই এই যানজটের প্রধান কারণ। তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশ সড়কে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং যানজট নিরসনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।


