ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে।”
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে, যা আর কখনো ফিরে আসবে না। আমি এটা চাই না, কিন্তু সম্ভবত সেটাই ঘটবে।” তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে ইরানকে উদ্দেশ্য করেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তিনি আরও দাবি করেন, “এখন যেহেতু সম্পূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ শাসন পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও বুদ্ধিমান এবং কম উগ্র মনোভাবের মানুষ প্রাধান্য পাবে, হয়তো কিছু বিপ্লবাত্মক ভালো কিছু ঘটতে পারে—কে জানে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব।” একইসঙ্গে তিনি এই মুহূর্তকে বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে গত কয়েক দশকের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দু’র্নী’তি ও মৃত্যু অবশেষে শেষ হবে।” পাশাপাশি তিনি ইরানের জনগণের জন্য শুভকামনাও জানান।
এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা চালাবে। তাঁর নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা।
তবে এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে—এমন উদ্বেগ উত্থাপিত হলেও প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউস (White House) তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এখন দৃষ্টি সবার—নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর কী ঘটতে যাচ্ছে।


