হজযাত্রায় কোনো ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য বহন না করার জন্য আবারও জোরালোভাবে সতর্ক করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (Ministry of Religious Affairs)। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় হজযাত্রীদের উদ্দেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—হজ এজেন্সি বা অন্য কোনো ব্যক্তির প্ররোচনায় পড়ে কেউ যদি নিষিদ্ধ দ্রব্য বহন করেন, তবে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বার্তায় আরও জানানো হয়, সৌদি আরব (Saudi Arabia)-এর প্রচলিত আইন অনুযায়ী হজযাত্রীদের লাগেজে নেশাজাতীয় ওষুধ, তামাক পাতা, জর্দা, গুল, পানপাতা, শুঁটকি, রান্না করা খাবার এবং যেকোনো ধরনের পচনশীল দ্রব্য বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইনেও এসব নিষেধাজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সকল যাত্রীর জন্য বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণীয়।
এ প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (Kazi Shah Mofazzal Hossain) (কায়কোবাদ) বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে—বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও সৌদি আরবের বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের লাগেজে অনেক সময় নিষিদ্ধ পণ্য পাওয়া যায়। এমন ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত ঝুঁকি বাড়ায় না, বরং দেশের ভাবমূর্তিকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
তিনি হজযাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান, নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং কোনোভাবেই আইন লঙ্ঘনের মতো ঝুঁকি না নিতে।
অন্যদিকে ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ (Munshi Alauddin Al Azad) এনডিসি সতর্ক করে বলেন, সৌদি আরবে কোনো হজযাত্রীর কাছে নিষিদ্ধ পণ্য পাওয়া গেলে দেশটির আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হজ পালন অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে, এমনকি তিনি হজ করার সুযোগও হারাতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে এসব নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সামান্য অসতর্কতাই বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।


