একসময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)-এর কাছ থেকে শুভেচ্ছা চিঠি পেয়েছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা (Purnima)। সম্প্রতি ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ শীর্ষক একটি পডকাস্টে এসে নিজের ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা গল্পের পাশাপাশি এই স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
পূর্ণিমা জানান, ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত সিনেমা মনের মাঝে তুমি (Moner Majhe Tumi) দেখে মুগ্ধ হয়েই তাঁকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছিলেন তারেক রহমান। সে সময় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছবিটি দেখেছিলেন তিনি। সিনেমাটি দেখার পরই অভিনয়শিল্পীদের অভিনয়ের প্রশংসা করে একটি চিঠি পাঠানো হয়।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, চিঠিতে ‘মনের মাঝে তুমি’ ছবির সব অভিনয়শিল্পীর নাম উল্লেখ করে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি লেখা ছিল, এ ধরনের সিনেমা নিয়মিত নির্মিত হওয়া উচিত। চলচ্চিত্রের ভালো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক—এমন প্রত্যাশাও জানানো হয়েছিল সেই বার্তায়। পূর্ণিমার মতে, তারেক রহমানের এমন আন্তরিকতা সে সময় সিনেমা-সংশ্লিষ্ট সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।
সেই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম না থাকায় চিঠিটি নিয়ে পরিবারের উচ্ছ্বাসও ছিল আলাদা। পূর্ণিমা বলেন, তাঁর মা পরিচিত সাংবাদিকদের অনেককেই চিঠিটি দেখিয়েছিলেন। বিষয়টি তখন তাঁদের পরিবারের জন্যও ছিল বিশেষ এক স্মৃতি।
পডকাস্টে পূর্ণিমা তাঁর ক্যারিয়ারের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্মাতা রায়হান রাফী (Raihan Rafi) পরিচালিত ‘দহন’ ও ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন। এমনকি ‘দহন’ সিনেমার জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধও হয়েছিলেন। তবে পরে কেন এই দুই সিনেমায় অভিনয় করা হয়নি, সে ব্যাখ্যাও তিনি শোতে তুলে ধরেছেন।
এ ছাড়া ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষ্য, প্রথম সিনেমা এ জীবন তোমার আমার (E Jibon Tomar Amar)-এর নায়িকা হিসেবে তিনি নির্মাতা জাকির হোসেন রাজু (Zakir Hossain Raju)-র প্রথম পছন্দ ছিলেন না। অন্য এক নায়িকা ছবিটি না করায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে নেওয়া হয়। সেই সুযোগই পরে তাঁর অভিনয়জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।


