অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম (Kamrul Islam)-এর সিকে’\ডি ইউরোলজি হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজির ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন (Moin Uddin) ওরফে মঈনকে গ্রে’\প্তার করেছে র্যাব (RAB)। একই অভিযানে তার আরও ৬ সহযোগীকেও গ্রে’\প্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে গ্রে’\প্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। তিনি জানান, সিকে’\ডি ইউরোলজি হাসপাতালে আলোচিত চাঁদাবাজির মামলার প্রধান আসামি মঈনসহ মোট সাতজনকে গ্রে’\প্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে, ১১ এপ্রিল সিকে’\ডি হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ আবু হানিফ (Abu Hanif) বাদী হয়ে শেরেবাংলানগর থানা (Sher-e-Bangla Nagar Police Station)-এ একটি চাঁদাবাজির মামলা করেন। মামলায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করা হয়।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে। সেদিন ডা. কামরুল ইসলামের সিকে’\ডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি এবং মব সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই বিষয়টি নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতাকর্মী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়। পরে শুক্রবার রাতেই চিকিৎসক কামরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক। এ সময় তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।


