আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কৃষক কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা অনিয়মের সুযোগ রাখা হয়নি। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর এলাকায় কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার ধাপে ধাপে দেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র কৃষকদের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর কোনো সুযোগ নেই, একইসঙ্গে অনিয়মেরও কোনো জায়গা রাখা হয়নি।
সরকারের চলমান কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, শপথ গ্রহণের পর থেকেই সরকার নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হলো। কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যেই সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের এই উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে, দুপুর দেড়টার দিকে শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত কৃষক কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম. এ. মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং মোট ১ হাজার ৬৭৯ জন উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণি।
উল্লেখ্য, শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর ব্লকের কৃষকরাই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে এই কৃষক কার্ড পাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।


