দারিদ্র্য দূরীকরণ, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামগ্রিকভাবে দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (Mirza Fakhrul Islam Alamgir) এমপি। তিনি মনে করেন, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি তরুণ সমাজকেও আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর মাদানী এভিনিউয়ের একটি অনুষ্ঠানে—পিপার ট্রি বিডি ইভেন্ট ভেন্যুতে আয়োজিত জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (Junior Chamber International) কার্নিভাল-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজক ছিল জেসিআই বাংলাদেশ (JCI Bangladesh), যা তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চায় সক্রিয় একটি বৈশ্বিক সংগঠনের অংশ।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ এবং সমাজসেবামূলক উদ্যোগে জেসিআই বাংলাদেশের অবদান নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এই ধরনের সংগঠন দেশের উন্নয়ন যাত্রাকে আরও বেগবান করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বৃহত্তর পরিসরে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
স্বাধীনতার পর দীর্ঘ পথচলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫৬ বছরে বাংলাদেশ (Bangladesh) বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষি খাতের উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই অর্জনকে ধরে রাখতে হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে বলে তিনি মনে করেন।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন—নতুন স্বপ্ন, নতুন উদ্যম এবং সৃজনশীল চিন্তা নিয়ে দেশ গঠনের কাজে এগিয়ে আসা সময়ের দাবি। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
উল্লেখ্য, জেসিআই বাংলাদেশ একটি অলাভজনক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মের অংশ, যা তরুণদের নেতৃত্বগুণ বিকাশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠনের মাধ্যমে তরুণরা নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজে বাস্তব পরিবর্তন আনার সুযোগ পাচ্ছে।


