বজ্রপাতে জেলায় জেলায় মর্মান্তিক বিপর্যয়, প্রাণ গেলো আরও ৫ জনের

রংপুর, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের ভয়াবহ ঘটনায় অন্তত ৫ জনের মৃ’\ত্যু হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকজন আ’\হত হয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে পৃথক এসব ঘটনা ঘটে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রংপুর (Rangpur) জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখীপুর গ্রামে পুকুরে মাছ ধরার সময় বজ্রাঘাতে দুই ব্যক্তির মৃ’\ত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ৭ জন আ’\হত হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি মৎস্য খামারে জাল ফেলে মাছ ধরার সময় আশপাশে কয়েকজন দাঁড়িয়ে তা দেখছিলেন। হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে আসে এবং শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টি। মুহূর্তেই বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ছুটোছুটি করতে গিয়ে জ্ঞান হারান, আবার কয়েকজন দগ্ধ হন।

অন্যদিকে, হবিগঞ্জ (Habiganj) জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের মমিনা হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুণাম উদ্দিন (৬০) নামে এক কৃষকের মৃ’\ত্যু হয়েছে। তিনি রামপুর গ্রামের মৃত সুন্দর আলী সাহেবের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে দুপুরে আকস্মিক বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় ঘটনাস্থলেই তার মৃ’\ত্যু ঘটে।

এদিকে, ময়মনসিংহ (Mymensingh) জেলার গৌরীপুর উপজেলায় একই দিনে বজ্রপাতে আরও এক কৃষকের মৃ’\ত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

একই সময় নেত্রকোণা (Netrokona) জেলার আটপাড়া উপজেলার ধলার হাওরেও বজ্রাঘাতে আরও একজন নি’\হত হন।

উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ (Sunamganj) জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় আরও ৫ কৃষকের প্রা’\ণহানি ঘটেছে এবং অন্তত ৭ জন আ’\হত হয়েছেন। হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের তীব্রতার কারণেই এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, খোলা জায়গা, জলাশয় বা হাওরের মতো উন্মুক্ত স্থানে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *