প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)-এর কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের গুরুত্বপূর্ণ অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল মো. নূরুল ইসলাম (Md. Nurul Islam)। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
তিনি জানান, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ওপর প্রণীত মোট ৩৮টি অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে। এসব রিপোর্টের মধ্যে কমপ্লায়েন্স ও পারফরম্যান্স অডিট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ, ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং সংশোধনমূলক সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (Bangladesh)-এর সংবিধানের ১২৮(১) অনুচ্ছেদ এবং কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (অ্যাডিশনাল ফাংশন্স) অ্যাক্ট, ১৯৭৪ এর ধারা ৫ অনুসারে এই অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় ১৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, দপ্তর, প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর পরিচালিত ৩৮টি কমপ্লায়েন্স ও পারফরম্যান্স অডিট রিপোর্ট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের পূর্বে বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (Comptroller and Auditor General of Bangladesh)-এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়।
রিপোর্ট পেশের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশেষভাবে নির্দেশনা দেন, শুধুমাত্র কমপ্লায়েন্স অডিট নয়, বরং পারফরম্যান্স অডিটকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করতে হবে—যাতে সরকারি প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য বাস্তবে কতটা অর্জিত হচ্ছে, তা স্পষ্টভাবে মূল্যায়ন করা যায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুরো প্রক্রিয়াটি সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা জোরদারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


