যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আমদানি শুল্ক পর্যালোচনায় বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের জবাবে বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের শুল্ক পর্যালোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার (Abul Kalam Azad Mojumdar)।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি নীতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশও পাল্টা পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (National Board of Revenue – NBR) বর্তমানে শুল্ক যৌক্তিকীকরণের লক্ষ্যে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিভিন্ন বিকল্প যাচাই করছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য

স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এই চলমান প্রচেষ্টাই শুল্ক সমস্যার সমাধানে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের ঘোষণা ও নতুন শুল্ক হার

ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) তার সাম্প্রতিক ঘোষণায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে আমদানি শুল্ক আরোপ করা হবে। এর অংশ হিসেবেই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। আগে এই হার ছিল মাত্র ১৫ শতাংশ।

বিবিসি সূত্রে জানা যায়, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *