মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষিত নতুন শুল্কনীতির আওতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র (United States)। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)-র ওপর, এরপরই রয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ওপর আরোপিত নতুন শুল্কহার
- শ্রীলঙ্কা – ৪৪% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৮৮%)
- বাংলাদেশ – ৩৭% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৭৪%)
- পাকিস্তান (Pakistan) – ২৯% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৫৮%)
- ভারত (India) – ২৬% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৫২%)
- আফগানিস্তান – ১৮% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৩৫%)
- নেপাল – ১০% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ১০%)
- ভুটান – ১০% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ১০%)
- মালদ্বীপ – ১০% (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ১০%)
শুল্কহারের নির্ধারণ পদ্ধতি
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি দেশের ওপর শুল্ক আরোপের হার নির্ধারণ করা হয়েছে সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্কের ভিত্তিতে। সাধারণত, যুক্তরাষ্ট্র নিজ দেশের পণ্যে যে শুল্ক বসায়, তার অর্ধেক বা ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে সেই দেশটির ওপর।
উদাহরণস্বরূপ, শ্রীলঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ৮৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, তাই যুক্তরাষ্ট্র ৪৪ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে শ্রীলঙ্কার পণ্যে।
বৈশ্বিক শুল্কহার: অন্যান্য দেশের অবস্থান
বিশ্বব্যাপী মোট ১৮১টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই শুল্কহার কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রকে একক সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শুল্কহার নিম্নরূপ:
- চীন – ৩৪%
- ভিয়েতনাম – ৪৬%
- কম্বোডিয়া – ৪৯%
- মাদাগাস্কার – ৪৭%
- মিয়ানমার – ৪৪%
- সার্বিয়া – ৩৭%
- বতসোয়ানা – ৩৭%
- লাওস – ৪৮%
- মরিশাস – ৪০%
- থাইল্যান্ড – ৩৬%
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন – ২০%
- জাপান – ২৪%
- দক্ষিণ কোরিয়া – ২৫%
- তাইওয়ান – ৩২%
- সুইজারল্যান্ড – ৩১%
- ইন্দোনেশিয়া – ৩২%
এই নতুন শুল্কহার বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে।