বিএনপি (BNP) জানিয়েছে, চেয়ারপারসন তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের শুধুমাত্র দুটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট—ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম—ভেরিফায়েড বা ব্লু টিকপ্রাপ্ত। এর বাইরে জাইমা রহমানের নামে পরিচালিত ৫০টিরও বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ ইতোমধ্যে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানো হচ্ছিল বলে দাবি করেছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, “সম্প্রতি মেটা কর্তৃপক্ষ জাইমা রহমানের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করেছে। ব্লু টিক পাওয়া এই দুটি অ্যাকাউন্ট ছাড়া তাঁর আর কোনো অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নেই।”
তিনি আরও জানান, বিএনপির আইসিটি দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে ৫০টির বেশি ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে এখনো কিছু ভুয়া অ্যাকাউন্ট অনলাইনে রয়েছে এবং সেগুলো অপসারণে মেটার সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আরও অভিযোগ করেন, “তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের নামেও একাধিক ভুয়া ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে। এসব পেজ থেকে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় বানানো মিথ্যা ও বানোয়াট ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ডা. জুবাইদা রহমানের কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট নেই।”
নির্বাচন সামনে রেখে অপপ্রচারের মাত্রা বেড়ে গেছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ও ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশনের মতো বিষয়গুলো বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি নিরপেক্ষ ফ্যাক্ট-চেকিং সেল দ্রুত চালু করা প্রয়োজন।”
বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ না থাকায় নেতানেত্রীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।


