ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (Islami Andolon Bangladesh)–এর ১১ দলীয় জোট ত্যাগের বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপি (National Citizen Party) জানিয়েছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো প্রভাব নেই। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, “ইসলামী আন্দোলনের জোট থেকে বের হয়ে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এমনটা আমরা আশা করিনি। আমাদের প্রত্যাশা ছিল একসঙ্গে নির্বাচনে যাব। তবে তারা বের হয়ে যাওয়ার পর এনসিপি জোটের প্রিন্সিপাল অনুসরণ করবে।”
আসিফ মাহমুদ জানান, “আমরা আশা করি ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক হবে। তা না হলেও এনসিপির জন্য কিছু আসন বাড়বে বলেই মনে করছি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এনসিপি ও লিঁয়াজো কমিটির মধ্যে আলোচনা হয়েছে, আসন বাড়া-কমা নিয়ে খুব বেশি জটিলতা নেই।”
তিনি আরও বলেন, “ভয়ভীতি দেখিয়ে বিএনপি নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের সরিয়ে দিতে চাচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের উচিত সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।”
নারায়ণগঞ্জে রিটকারী প্রার্থীর ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে এনসিপি মুখপাত্র বলেন, “এই হামলা নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এনসিপির প্রথম দাবি।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, “পোস্টাল ব্যালটে নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে বলে জেনেছি। তবে কেউ কেউ এই ব্যালট বন্ধের প্রস্তাব দিচ্ছেন, যা একটি অশনিসংকেত। এনসিপি এই আলোচনা গ্রহণযোগ্য মনে করে না।”
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হঠাৎ করেই জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে একক নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।


