১১ দলীয় জোটের পক্ষে জনমত তৈরি হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ভয় পেয়ে বলপ্রয়োগ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বুধবার বিকেলে ঢাকার বাড্ডায় নির্বাচনী প্রচার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা আশঙ্কা করছি, যে দলের পক্ষ থেকে এগুলো (আক্রমণ) করা হচ্ছে, সামনে তারা এটা আরও বাড়াবে। কারণ জনগণের ওপর তাদের ভরসা নেই। ১১ দলের পক্ষে যে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে, সেটিকে তারা ভয় পাচ্ছে। তাই বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করতে চাইছে।”
তিনি জানান, শুধু পুরুষ নেতাকর্মীরা নয়, নারী কর্মীরাও আক্রমণের শিকার হচ্ছেন, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। তিনি বলেন, “এ ধরনের আক্রমণ যখন প্রশাসনের সামনে ঘটেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, তখন এটিকে আর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলা যায় না। এখন একটি পক্ষ পেশিশক্তির মাধ্যমে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে।”
নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন নাহিদ ইসলাম। বলেন, “আমরা প্রতিটি ঘটনা নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট করছি, কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি—এভাবে চলতে থাকলে একপক্ষীয় নির্বাচন ছাড়া কিছুই হবে না। এখনই যদি থামানো না যায়, নির্বাচন উপযুক্ত পরিবেশে হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিকভাবে ভোটের মাঠে আছি, কিন্তু প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পথ বেছে নিচ্ছে। এভাবে চললে জনগণ তাদের ভোটাধিকার হারাবে, এবং রাষ্ট্রে আর কোনো বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক কাঠামো থাকবে না।”


