শরীয়তপুরের গোসাইরহাট (Gosairhat)-এ নিখোঁজ এক শ্রমিকদল নেতার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও উদ্বেগের ছায়া। জয়নুদ্দিন ঢালী (৫০) নামে ওই নেতার মরদেহ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার গোসাইরহাট ইউনিয়নের খাটরা গ্রামের একটি ছোট আমগাছের ডালের সঙ্গে গলায় মাফলার পেঁচানো ও বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রবিবার রাত থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
নি’\হত জয়নুদ্দিন ঢালী খাটরা গ্রামের মৃত মোসলেম ঢালীর ছেলে। তিনি গোসাইরহাট ইউনিয়ন শ্রমিক দল (Gosairhat Union Sramik Dal)-এর একজন সদস্য হিসেবে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে খাবার শেষে জয়নুদ্দিন ঢালী বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা রাতেই বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি থানায় জানানো হয়।
সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের বিলসংলগ্ন এলাকায় একটি ছোট আমগাছের ডালের সঙ্গে মাফলার দিয়ে বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নি’\হতের ভাতিজা মো. ইব্রাহিম জানান, রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার চাচা আর ফিরে আসেননি। সকালে এলাকার মুরুব্বিদের বিষয়টি জানিয়ে তাদের সঙ্গে নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়। অবশেষে বিকেলে বিলের পাশে আমগাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পান তারা। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
গোসাইরহাট ইউনিয়ন শ্রমিক দল-এর সভাপতি জসিম সিকদার বলেন, জয়নুদ্দিন ঢালী দলের একজন সদস্য ছিলেন এবং এলাকায় একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
গোসাইরহাট থানা (Gosairhat Police Station)-র উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজিবুল জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।


