পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি আরও বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (Cabinet Division)-এ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভা বৈঠকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। ফলে ঈদের ছুটি নিয়ে সরকারি কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে বলে সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সম্ভাব্য তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির সূচি নির্ধারণ করে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration)। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি ধরা হয়েছে।
এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিনটি সাধারণ ছুটি হিসেবে নির্ধারিত। পাশাপাশি ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি রাখা হয়েছে। তবে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকছে না—ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের ব্যাপক যাত্রা যাতে নির্বিঘ্ন হয়, সে বিবেচনায় ছুটি আরও বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, দীর্ঘ ছুটি থাকলে সড়ক ও রেলপথে চাপ কিছুটা হলেও কমে।
এদিকে ১৯ মার্চের আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) রয়েছে শবে কদরের ছুটি। মাঝখানে ১৮ মার্চ (বুধবার) সাধারণ ছুটির ঘোষণা এলে শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলিয়ে টানা সাত দিনের অবকাশ তৈরি হতে পারে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে বেসরকারি খাতের কর্মীরাও দীর্ঘ বিরতির সম্ভাবনায় আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছেন আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে।


