‘চলেন যুদ্ধে যাই’—সকালের হাসিমুখে দায়িত্বের লড়াইয়ের কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ রবিবার (৮ মার্চ), সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস। অন্য দিনের মতোই নতুন কর্মব্যস্ততার সূচনা করতে সকালবেলা বাসা থেকে বের হচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। কিন্তু বাড়ির দরজা খুলেই তার বলা তিনটি শব্দ মুহূর্তেই বদলে দিল সেই পরিচিত সকালের দৃশ্য।

দরজা খুলে উপস্থিত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সহকারীরা প্রথমে খানিকটা হতভম্ব হয়ে পড়েন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অবশ্য বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়—এটি কোনো আক্ষরিক যুদ্ধের আহ্বান নয়, বরং দেশ পরিচালনার প্রতিদিনের কঠিন দায়িত্ব ও সংগ্রামকে তিনি ‘যুদ্ধ’ হিসেবেই তুলে ধরেছেন।

তিন শব্দের ছোট্ট এই বাক্যের মধ্যেই যেন ফুটে উঠেছে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ, চাপ এবং দায়িত্বের ইঙ্গিত।

সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন (Atikur Rahman Rumon)। তিনি জানান, সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে রাজধানীর গুলশান (Gulshan)-এর বাসভবন থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বের হওয়ার আগে প্রতিদিনের মতোই তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যরা প্রস্তুত অবস্থায় অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময়ই দরজা খুলে স্বভাবসুলভ হাসিমুখে উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।

আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। দিনজুড়েই তার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।

আজকের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন (A N M Ehsanul Haque Milon), শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন (Mahdi Amin) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী (Ashik Chowdhury)-এর সঙ্গে বৈঠক। এছাড়াও দিনের বিভিন্ন সময়ে আরও কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

নতুন কর্মসপ্তাহের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য তাই অনেকের কাছেই প্রতীকী এক বার্তা হয়ে উঠেছে—রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি দিনই যেন এক একটি লড়াইয়ের দিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *