যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, আগামী ৩০ মার্চ দেশের ক্রীড়া খাতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
শনিবার (২৮ মার্চ) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্বাচিত এই ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ গত এক বছরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই তালিকায় কোনো ক্রিকেটার অন্তর্ভুক্ত নেই।
ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান ছাড়াও, এসব ক্রীড়াবিদকে ধাপে ধাপে বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ১২৯ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।
আমিনুল হক বলেন, ‘যারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং ধারাবাহিকভাবে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদেরকে একটি স্থায়ী বেতন কাঠামোর মধ্যে এনে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হবে।’
বেতন কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘যেসব ক্রীড়াবিদ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পদক অর্জন করেছেন, তাদের এই কাঠামোর আওতায় এনে নিয়মিত ভাতা দেওয়া হবে। এখানে কোনো নির্দিষ্ট খেলার প্রতি পক্ষপাত থাকবে না—সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
এই উদ্যোগকে ক্রীড়াবান্ধব নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা, যেখানে দেশের বিভিন্ন অপ্রচলিত খেলায় অবদান রাখা ক্রীড়াবিদরাও স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।


