চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলনে শহিদ মীর মুগ্ধের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে তার অসুস্থ বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট (National Heart Institute)-এ চিকিৎসাধীন মীর মুস্তাফিজুর রহমানকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। এসময় তিনি রোগীর সার্বিক শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন।
শুধু খোঁজখবরেই সীমাবদ্ধ থাকেননি—প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মীর মুগ্ধের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তাও তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই পদক্ষেপ পরিবারটির জন্য এক ধরনের স্বস্তি নিয়ে এসেছে, বিশেষ করে দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়ার অনিশ্চয়তার মধ্যে।
এসময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ (Amra BNP Poribar)-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনসহ একাধিক খ্যাতনামা চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন প্রফেসর ডা. মো. খালেকুজ্জামান, প্রফেসর ডা. মো. মহসীন হোসেন, প্রফেসর ডা. তৌফিকুজ্জামান, প্রফেসর ডা. আশরাফ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এটিএম নূরন্নবী, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শ্যামল, সহকারী অধ্যাপক ডা. সারোয়ার হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাহবুব হাসান রিপন, সহকারী পরিচালক ডা. মেজবাহ, ডা. মো. সামিউর রহমান, ডা. হাসিবুল ইসলাম, ড্যাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসানসহ আরও অনেকে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা আজহারুল ইসলাম হামীম, মো. আমান উল্লাহ এবং অপু দেবনাথ।
উল্লেখ্য, গত সোমবার মীর মুস্তাফিজুর রহমানের হৃদপিণ্ডে একটি রিং পরানো হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সফলভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে, যা পরিবার ও স্বজনদের জন্য আশাব্যঞ্জক খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।


