অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজিবাহী ট্যাংকার, শনিবার আসছে আরও একটি

অস্ট্রেলিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে “মারান গ্যাস হাইড্রা” নামের একটি ট্যাংকার ইতোমধ্যেই দেশের জলসীমায় পৌঁছেছে। বুধবার সকালে এটি বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal)-এর জলসীমায় প্রবেশ করে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এর আগে, গত সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States) থেকে এলএনজি বহনকারী “কংটং” নামের একটি ট্যাংকার এবং মালয়েশিয়া (Malaysia) থেকে এলপিজি নিয়ে “পল” নামের আরেকটি ট্যাংকার দেশে আসে। জ্বালানি আমদানির এই ধারাবাহিকতায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চালান পথে রয়েছে।

জানা গেছে, অ্যাঙ্গোলা (Angola) থেকে এলএনজি নিয়ে “লবিটো” নামের আরেকটি ট্যাংকার আগামী ১৮ এপ্রিল দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফলে, চলমান জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ধারাবাহিকভাবে ট্যাংকার আগমন অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১২ হাজার টন জেট ফুয়েল এবং ৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে তিনটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দর (Chattogram Port)-এর বহির্নোঙরে এসে ভিড়েছে। এর মধ্যে “এমটি গ্রেট প্রিন্সেস” নামের জাহাজটি উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েল বহন করে নিয়ে আসে। পাশাপাশি “এমটি টর্ম দামিনি” প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং “এমটি লুসিয়া সলিস” প্রায় ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে এসেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ পর্যন্ত ক্রুড অয়েল, এলপিজি ও এলএনজিসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে অন্তত ৪৬টি জাহাজ দেশে এসেছে, যা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *