রাজধানীর কাকরাইল জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে শনিবার (৩০ আগস্ট) এক নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। অ্যাশ রঙের গেঞ্জি পরা এক ব্যক্তিকে জাপটে ধরে আহত জুলাইযোদ্ধা ইয়াসিন চিৎকার করে বলেন, “উনিই আমার পায়ে ৪ আগস্ট গুলি করেছে, উনাকে আমি ছাড়ব না।”
এ সময় ইয়াসিনের দৃঢ় কণ্ঠে চারপাশ জমে ওঠে। পাশে দাঁড়ানো পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আপনারা উনাকে গ্রেপ্তার করেন।” এরপর সাংবাদিকদের সামনে নিজের পরিচয় দিয়ে জানান, “আমি ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি খেয়েছি। এই লোকই আমাকে গুলি করেছে। আমি উনাকে চিনতে পেরেছি।”
ইয়াসিন现场ে তার পায়ের গুলির দাগ দেখান উপস্থিত সবাইকে। আশপাশের লোকজন তাকে সরতে বললেও তিনি একটুও নড়েননি। স্পষ্ট উচ্চারণে জানিয়ে দেন, “আমি নুরের লোক নই, আমি বিএনপির কর্মী। এখানে এসে আমি তাকে চিনতে পেরেছি।”
নিজের পরিচয় আরও স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমার বাড়ি সুনামগঞ্জ। আমি সুস্থ মানুষ। তাকে আমি স্পষ্ট চিনতে পেরেছি। উনি লম্বা মানুষ। কোমর থেকে বন্দুক বের করে আমাকে গুলি করেছিলেন।”
ঘটনার আকস্মিকতা এবং ইয়াসিনের দৃঢ় বক্তব্যে মুহূর্তেই এলাকা উত্তেজনায় ভরে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা হতভম্ব হয়ে ঘটনাটি লক্ষ্য করেন।
বার্তা বাজার/এস এইচ