নির্বাচনী ফলাফল আপডেট

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
আগে
২১০ জয়
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
আগে
৬৩ জয়
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি
আগে
জয়
স্বতন্ত্র
আগে
জয়
গণসংহতি আন্দোলন
আগে
জয়
খেলাফত মজলিস
আগে
জয়
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
আগে
জয়
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)
আগে
জয়
গণঅধিকার পরিষদ
আগে
জয়
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
আগে
জয়

সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হলো আ. লীগ নেতার পিস্তল, মামলা দুর্বল করতে এজাহারে হয়ে গেল ‘পিস্তলসদৃশ বস্তু’

রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন দক্ষিণ কল্যাণপুর এলাকা থেকে গত ২০ ডিসেম্বর ভোরে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র-গুলি, বিদেশি মদ, পাসপোর্টসহ গ্রেফতার করা হয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনকে। এর কয়েক ঘণ্টা পর সেনাবাহিনীর ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে উদ্ধার করা অস্ত্র ও অন্যান্য দ্রব্যাদির ছবি সংবলিত এক পোস্টে বলা হয়, ‘আজ ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল দক্ষিণ কল্যাণপুরের ইস্টার্ন হাউজিং-২ এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে নাছির উদ্দিন নামে এক আসামিকে একটি পয়েন্ট ২২ বোরের রাইফেল, দুটি বিদেশি পিস্তল এবং আট বোতল বিদেশি মদ ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ আটক করে। আটক আসামিকে উদ্ধারকৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক এবং বিভিন্ন সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে দারুস সালাম থানার পুলিশ প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তবে অভিযোগ উঠেছে, নাছিরকে থানায় হস্তান্তরের পর পালটে যায় দৃশ্যপট। মামলা দুর্বল করতে সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হওয়া সেই দুই বিদেশি পিস্তল দারুস সালাম থানা পুলিশের দায়ের করা মামলায় হয়ে যায় ‘পিস্তলসদৃশ বস্তু’। জব্দকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের তালিকায় পিস্তল দুটিকে ‘পিস্তলসদৃশ বস্তু’ বলা হলেও এয়ার গান এবং এয়ারগানের সিসাযুক্ত ৮১০টি পেলেট উদ্ধার বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে পুলিশের দায়ের করা মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্ত করা হয়নি অবৈধ অস্ত্র-গুলি রাখার ধারা। জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি অস্ত্রের মালিক নাছির উদ্দিনের দুটি পাসপোর্টও। এর মধ্যে একটি ছিল লাল পাসপোর্ট। অভিযানে সেনাবাহিনী আট বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করার কথা বললেও জব্দ তালিকায় সাত বোতল বিদেশি মদ জব্দ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দারুস সালাম থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এ বিষয়ে দারুস সালাম থানার ওসি এস এম জাকারিয়া বলেন, পিস্তল দুটি আসলেই পিস্তল কি না, তা তদন্তের জন্য আমরা ব্যালাস্টিক টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছি। এ জন্য জব্দকৃত আলামত সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী রাইফেল উদ্ধারের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে সেটি এয়ারগান। এয়ারগান কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নয়। এয়ারগানের যেসব পেলেট জব্দ করা হযেছে, পেলেটও অস্ত্র আইনে মামলা দেওয়ার সুযোগ নেই।

মামলার বাদী দারুস সালাম থানার এসআই মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, উদ্ধার অস্ত্রগুলোর ব্যালাস্টিক টেস্ট রিপোর্টে আসল হিসেবে মতামত পেলে মামলার সঙ্গে অস্ত্র আইনের ধারা সংযোজন করা হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *