৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেসব অস্ত্রাগার লুট হয়েছে, সেসব অস্ত্রের হদিস মিলবে যদি জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করা হয়—এমন মন্তব্য করেছেন হারুনুর রশিদ (Harunur Rashid)। মঙ্গলবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (Chapainawabganj-3) আসনে বিএনপির মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখন নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জেও অস্ত্রাগার লুট হয়েছিল। আমি সেদিন জেলাতেই ছিলাম। একদিকে এসপি অফিস ঘেরাও, অন্যদিকে অস্ত্র লুট—সবই ছিল পরিকল্পিত।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নিশ্চিত, এসব কর্মকাণ্ডে জামায়াতের কর্মীরা সক্রিয়ভাবে জড়িত। দেশের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি ও ‘মব’ তৈরি করার লক্ষ্যেই তারা এই অস্ত্র মজুত রেখেছে। তাই প্রশাসন, র্যাব এবং সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করবো—তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় যত দ্রুত সম্ভব এসব অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িতদের চিহ্নিত করুন।”
হারুনুর রশিদের বক্তব্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান ছিল স্পষ্ট: পরিস্থিতি অবনতি না ঘটিয়ে আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তিনি মনে করেন, যেসব সংগঠন বা ব্যক্তিরা নির্বাচন বা সরকারের বিরুদ্ধে সহিংস পথে নামতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা উচিত।
উল্লেখ্য, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ একাধিকবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের আগমুহূর্তে এমন বক্তব্য তার রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন অনেকে।

