সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (Shahid Uddin Chowdhury Annie)। সচিবালয়ে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, “আজকে আমরা মিটিং করেছি। সিদ্ধান্ত হয়েছে চারটা মন্ত্রণালয় আমরা বসে—বিশেষ করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়সহ—আলোচনা করব। পরবর্তী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা কীভাবে খাল খনন প্রক্রিয়াটাকে একটি কর্মসূচি ও বিপ্লব আকারে নিয়ে এই আন্দোলনকে সফল করতে পারি, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবো। আমাদের কার্যক্রম ১৮০ দিন। আমরা শুরু করব এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানোর।”
‘খাল খননে একসময় হয়েছিল মহাবিপ্লব’—উল্লেখ করে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “খালখনন কর্মসূচিতে একসময় একটি বিপ্লব হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব তাঁর জীবদ্দশায় এই কর্মসূচিকে বাংলাদেশের এক মহাবিপ্লবে পরিণত করেছিলেন।” তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশবাসী ভুক্তভোগী—খালখনন না থাকা, জলাবদ্ধতা, জলাশয়ে পানির অভাব এবং সেচব্যবস্থার সংকটের কারণে।
মন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের নির্বাচনি ম্যানিফেস্টোতে আমাদের প্রাইম মিনিস্টার তারেক রহমান (Tarique Rahman) নির্বাচনের আগ থেকেই বারবার এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। খাল খনন প্রক্রিয়াকে পুনঃখননের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে নিয়ে আসবেন, যাতে দেশের মানুষ এর সুফল পায়।”
নির্দিষ্ট লক্ষ্য এখনো ঠিক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, “এলাকার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কোথায় কোথায় পানির প্রয়োজন, সেচের প্রয়োজন—তা দেখতে হবে। সারা বাংলাদেশে আমাদের কিছু চলমান প্রোগ্রাম আছে, খালকাটা আছে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে চারটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় প্রয়োজন। কবে নাগাদ শুরু করা যাবে, তা আমরা এই সপ্তাহে বসে সিদ্ধান্ত নেব।”
প্রাথমিকভাবে কত কিলোমিটার খাল খনন করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “এখন পর্যন্ত আমরা কত কিলোমিটার করব—এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। তবে সর্বোচ্চটা করার চেষ্টা করব।”


