যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নি’\হত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই হামলায় খামেনির সঙ্গে তাঁর মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাতাও নি’\হত হয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হবার প্রায় ১২ ঘন্টা পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মারা যাওয়ারসত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করল ইরান। তার মৃত্যুর ঘোষণার সাথে ইরানের রেভুলুশনারি গার্ড জানিয়েছে যে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণাত্মক অভিযান যেকোনো মুহূর্তে শুরু হবে, যা ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে করা হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, খামেনি মারা গেছেন। তিনি লেখেন, ইতিহাসের অন্যতম খারাপ মানুষ খামেনি আর নেই।
একজন ঊর্ধ্বতন ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে একটি সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার মার্কিন কর্মকর্তাদের বলেছেন, তেহরানে নিজ কম্পাউন্ডে চালানো হামলায় খামেনি নি’\হত হয়েছেন।
এ ছাড়া নিউজ টুয়েলভ এবং টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর দাবি করেছে।
তবে এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চয়তা না আসায় পরিস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।


