ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)-এর প্রার্থীরা। তাদের আবেদনে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) পৃথকভাবে এই দুটি আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করা হয়। রাজশাহী-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর (Bangladesh Jamaat-e-Islami) প্রার্থী আব্দুল বারীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জিয়াউর রহমান। তার দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে এবং প্রকৃত ফলাফল প্রতিফলিত হয়নি।
একইভাবে পাবনা-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী আবু তালেব মন্ডলের বিরুদ্ধেও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির পরাজিত প্রার্থী হাবিবুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনার সময় অসংগতি ছিল এবং তা তদন্তসাপেক্ষে পুনর্গণনা প্রয়োজন।
রবিবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট (High Court Division)-এর নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে আদালত রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের নির্বাচনি সরঞ্জামাদি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (Bangladesh Election Commission)-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দুই আসনের বিজয়ী প্রার্থীদের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আদালত আবেদনগুলোর পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ মে দিন ধার্য করেছেন।
বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী হাবিবুর রহমান। আদালতের এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে এখন নজর থাকছে পুনর্গণনার দাবির আইনি পরিণতির দিকে।


