আব্দুল মঈন খান (Abdul Moin Khan) বলেছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)-এর নেতৃত্বে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে নরসিংদীর পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সময়ের ব্যবধানে রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলালেও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এবার বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান (Tarique Rahman)-এর নেতৃত্বে আবারও নরসিংদীর পাঁচটি আসনে বিজয় নিশ্চিত করেছে দল।
রোববার (১ মার্চ) বিকেলে নরসিংদী (Narsingdi)-র পলাশ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পলাশ থানা সদর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জেলার পাঁচজন সংসদ সদস্যসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ইফতার মাহফিলটি রূপ নেয় এক প্রকার রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে, যেখানে অতীতের সাফল্য ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা একসূত্রে গাঁথা হয়।
ড. মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (Ziaur Rahman) সারা দেশ থেকে ১০ জন মেধাবী ব্যক্তিকে নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছিলেন। সেই তালিকায় নরসিংদীর পলাশের সন্তান ড. মোমেন খানও ছিলেন। তিনি নরসিংদী-১ আসন থেকে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন মঈন খান। তাঁর মতে, এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং নরসিংদীর রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়।
তিনি আরও বলেন, নরসিংদী বিএনপির জন্মের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে আব্দুল মোমেন খানের নাম। সেই ঐতিহ্য ও গৌরব পুনরুদ্ধারে দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। “আমরা চাই নরসিংদীর বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করে দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে,”—যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং নরসিংদী-1 আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী এবং নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বকুল। তাঁদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিল রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


