ডিজিএফআইয়ের তথ্যে ভারতে গ্রে’\প্তার ফয়সাল, দেশে ফেরাতে প্রক্রিয়া শুরু

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হ’\ত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রে’\প্তার হওয়া দুইজনকে বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (Inter Services Public Relations – ISPR)।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (Directorate General of Forces Intelligence – DGFI)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হ’\ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রে’\প্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী (Major General Mohammad Qaiser Rashid Chowdhury) সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

জানা গেছে, শরিফ ওসমান হাদি হ’\ত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর তারা ভারতের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেন এবং সুযোগ পেলে বাংলাদেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা করছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে তারা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে তাদের গ্রে’\প্তারের পর রোববার পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর আদালত (Bidhannagar Court)-এ হাজির করা হয়। আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মা’\রা যান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *