বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের বর্তমান বাস্তবতায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি কিংবা অন্যান্য ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এবং সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে সেই ধারাবাহিকতাকে এগিয়ে নিয়ে যান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাদের উদ্যোগেই দেশে চিকিৎসা খাতে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও কাঠামোর বিকাশ ঘটে।
তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সূচনা হয়েছিল শহীদ জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই। সেই উদ্যোগের ফলেই আজ দেশে হৃদপিণ্ডের জটিল চিকিৎসাসহ নানা উন্নত চিকিৎসা কার্যক্রম সম্ভব হচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে এমন আরও অনেক দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া।
এ সময় তিনি ছাত্রদল-কে মেধাবীদের সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, অতীতের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের বিভিন্ন মেডিকেল ইউনিট সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, একাডেমিক ক্ষেত্রেও তারা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. ওমর খৈয়াম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ড্যাবের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. শাকুর খান, অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ডা. তৌহিদ উল ইসলাম জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খসরু, ঢামেকসুর সাবেক জিএস ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, যুবদলের সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. ইমরান হাফিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহবুব আলম তুষারসহ আনোয়ার খান মেডিকেল এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের বর্তমান ও সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।


