তারেক রহমানের পথেই এগোচ্ছি, জনগণের সেবাই লক্ষ্য: আমান উল্লাহ আমান

ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান (Aman Ullah Aman) জানিয়েছেন, “তারেক রহমান আজ সারাদেশ চষে বেড়াচ্ছেন এবং অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপন করছেন। আমরাও সেই পথ অনুসরণ করছি এবং জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবো।”

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের টোল প্লাজা এলাকায় আয়োজিত এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) মূলত জনগণের সরকার। তাই দলটি সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তারেক রহমান (Tarique Rahman)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনের ধারাবাহিকতা এবং সর্বশেষ ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগ (Awami League) সরকারের পতন ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, “দিনের ভোট রাতে হয়নি”—যা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কেরও অবসান ঘটেছে বলে দাবি করেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রসঙ্গে আমান জানান, নির্বাচনের আগে তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এটি তারই একটি অংশ। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। অসহায় মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা চালু হয়েছে, একইভাবে হিন্দু পুরোহিতদের জন্যও ভাতা চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

আমান উল্লাহ আমান জোর দিয়ে বলেন, “বিএনপি যা বলে, তা করে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলটি জুলাই সনদের পক্ষে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ আহমেদ সুমন, ঢাকা জেলা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এবং প্রকৌশলী সাজ্জাদ আরেফিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *