আর মাত্র চার দিন পরই সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিতব্য এই ভোটকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) জোট সংরক্ষিত নারী আসনে মোট ৩৬টি আসন পেতে যাচ্ছে।
এই আসনগুলোতে কারা মনোনয়ন পাচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা-কল্পনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। দলীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা চললেও এখনো আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ হয়নি। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম (Md. Nurul Islam)।
তিনি জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় এবং পরীক্ষিত নেত্রীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তার ভাষায়, ‘রাজনীতিতে যারা দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং সংসদে কন্ট্রিবিউট করতে পারেন, তাদেরই আমরা অগ্রাধিকার দেব।’
চিফ হুইপ আরও বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ নেতা এমন সিদ্ধান্ত নেবেন যা সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো গড়ে তুলবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়ন যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যেসব মনোনয়ন বাতিল হবে, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল থেকে, এবং ২৭ ও ২৮ এপ্রিল সেই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে।
এরপর ২৯ এপ্রিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৩০ এপ্রিল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


