দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একের পর এক জ্বালানিবাহী ট্যাংকার দেশের জলসীমায় প্রবেশ করছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে আরও পাঁচটি ট্যাংকার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে—এমনটাই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সূত্র অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মালয়েশিয়া (Malaysia) থেকে ‘মর্নিং জেন’ নামে একটি এলপিজিবাহী ট্যাংকার দেশের জলসীমায় পৌঁছাবে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র (United States) থেকে ‘এমেই’ নামের আরেকটি ট্যাংকার এলএনজি নিয়ে আসবে।
এরপর শনিবার যুক্তরাষ্ট্র থেকেই ‘কংটং’ নামের আরও একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার এলএনজি নিয়ে দেশে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে। ধারাবাহিক এই আগমনের তালিকায় রয়েছে ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে আসা ‘পল’ নামের একটি এলপিজিবাহী ট্যাংকারও। আর ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া (Australia) থেকে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’ নামের একটি ট্যাংকার এলএনজি নিয়ে দেশের জলসীমায় ভিড়বে।
এর আগে বুধবার রাতেই মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দর (Chattogram Port)-এর বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে ট্যাংকারটির নোঙর করার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে অকটেন খালাসের কার্যক্রম।
একই রাতে মালয়েশিয়া থেকেই ‘ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি ট্যাংকার হাই সালফার ফুয়েল অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়, যা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় রাখার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর বার্থিংকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত ক্রুড অয়েল, এলপিজি ও এলএনজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি নিয়ে অন্তত ৩৬টি জাহাজ দেশে এসেছে—যা বর্তমান সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


