শাকসু ও ব্রাকসু নির্বাচন আয়োজনে সহযোগিতা করবে ইসি: সাদিক কায়েম

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরণের নির্বাচন বন্ধে চিঠি দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। সাক্ষাতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ ও ২১ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল।

এর আগে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে দেশের সব ছাত্র সংসদ, বনিক সমিতিসহ সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ করে গত সোমবার চিঠি জারি করে ইসি। এরপরই মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাদিক কায়েমসহ কয়েকজন।

সাক্ষাৎ শেষে সাদিক কায়েম সাংবাদিকদেরকে বলেন, নির্বাচন কমিশন আমাদের আশ্বস্ত করেছে, তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সঠিক সময়ে যাতে নির্বাচন হয় সেটার জন্য তারা ভিসিকে বলেছেন এবং প্রার্থীদের বলেছেন। তারা আবেদন করলে সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সঠিক সময়ে যেন নির্বাচন হয় এবং নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি যেন মনোনীত হয় সে ব্যাপারে কাজ করবেন।

তিনি বলেন, কমিশনের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এর আগে যখন সব সংগঠনের নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিতের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি, তখন আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। এরপর ইসিতে এসেছি। শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে ২০ জানুয়ারি। আর সংসদ নির্বাচন হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। তিন সপ্তাহ আগে নিরাপত্তার অজুহাতে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। এটি একটি অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না।

জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট প্রসঙ্গে সাদিক কায়েম বলেন, গণভোটে ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন যারা করছে তারা ফ্যাসিস্ট। যারা না ভোটের ক্যাম্পেইন করছে তারা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যেতে চায়। যারা ‘না’ ভোটের ক্যাম্পেইন করছে জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে। আমরা গণভোটের পক্ষে। তিনি আরও বলেন, তারা শাপলা চত্বরের মতো ম্যাসাকার করতে চায়। তারা আলেম ওলামাদের হত্যা করতে চায়। তারা পিলখানার মতো ট্র্যাজেডি করতে চায়। তারা আয়নাঘর তৈরির মাধ্যমে দেশের মানুষকে গুম-খুন করতে চায়। গণভোটে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ তে সিল মারতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *