কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (Kazi Shah Mofazzal Hossain Kaykobad)-এর প্রার্থিতা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এর আগে তার বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণ খেলাপির অভিযোগ ওঠে, যা উত্থাপন করেছিলেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ কায়কোবাদ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল কায়কোবাদকে অযোগ্য ঘোষণা চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
তবে সোমবার, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার পর ইসি ওই আপিল খারিজ করে কায়কোবাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে। এর আগে রোববার নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতে কায়কোবাদ তার পক্ষ থেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব পরিত্যাগের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে বিষয়টি পেন্ডিং রাখা হয়েছিল।
মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কায়কোবাদ বলেন, “মুরাদনগরের মানুষ আমাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসে। তারা আমাকে পাঁচবার নির্বাচিত করেছে। এই ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তা সহ্য করতে না পেরে একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে সেই ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হতে পারেনি। এবারও তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। সত্যের জয় সবসময় হয়— আজ তারই প্রমাণ মিলেছে।”
মুরাদনগরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কায়কোবাদ বলেন, “এই এলাকার মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের কল্যাণেই আমি সবসময় কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করে যাব।”
এদিকে বিএনপির স্থানীয় নেতারা ইসির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কায়কোবাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ছিল ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুরাদনগরের জনগণ আবারও কায়কোবাদকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।


