ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের যুবসমাজের মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বিএনপির অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের জন্য ভাতা চালু এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থান ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, আগামী ১৮ মাসে এক কোটি বেকার যুবকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।”
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর কলাবাগানে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে এক গণসংযোগে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল বলেন, “গত ১৭ বছরে দেশে প্রচণ্ড দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি হয়েছে। সরকারি সেবাগুলো জনগণের জন্য না হয়ে একটি রাজনৈতিক দলের স্বার্থেই পরিচালিত হয়েছে। তবে আমরা চাই একটি এমন রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে, যেখানে যোগ্যতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে মানুষ সেবা পাবে, রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে এবং সামাজিক খাতগুলো কার্যকর হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে তাদের তৎপরতা বাড়িয়েছে। যদি তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের সমর্থন পায়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভালো হবে।”
দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে আস্থা ফিরবে, অস্থিরতা কমবে এবং শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়েই সেই সরকার গঠন করতে হবে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচন একটি রাষ্ট্রের মৌলিক চাহিদা, জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক দলের দায়বদ্ধতা। অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলেও সেটি পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারবে না।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকার নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। এভাবে চললে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব।”
এসময় তিনি নির্বাচনে সব পক্ষের সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটাভুটি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “জনগণ ভোট দিতে চায়, প্রার্থীরা বিধিনিষেধ মেনে চলছে—এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে একটি স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব হবে।”


