মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এক মাসে বাতিল ২১২ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, তবুও বাড়ছে চলাচল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাব এখনো কাটেনি, তবে তার মাঝেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের আকাশপথ। রবিবার দিনভর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (Chattogram Shah Amanat International Airport)-এ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে সেই পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। এদিন মোট ১৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সচল থাকলেও বাতিল হয়েছে আরও ৪টি ফ্লাইট।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক মাসে এখানে মোট ২১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির সরাসরি প্রতিফলন। বিশেষ করে শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে চলাচলকারী ফ্লাইটগুলো এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, সালাম এয়ার (Salam Air), এয়ার আরাবিয়া (Air Arabia) এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস (US-Bangla Airlines)-এর মধ্যপ্রাচ্যগামী ও আগত ফ্লাইটগুলো এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে এসব ফ্লাইটের স্থবিরতা পুরোপুরি কাটেনি।

রবিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ছিলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস (Biman Bangladesh Airlines)-এর শারজাহ থেকে আসা একটি এরাইভাল ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের আবুধাবিগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল করা হয়। একইদিনে এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের একটি এরাইভাল ও একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিলের তালিকায় ছিল।

তবে আশার দিকও আছে। একই দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৭টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট চট্টগ্রামে অবতরণ করেছে এবং ৭টি ফ্লাইট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। অর্থাৎ সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আংশিকভাবে হলেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল সচল রয়েছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, অনিশ্চয়তার ছায়া এখনো পুরোপুরি কাটেনি, কিন্তু ধীরে ধীরে আকাশপথে স্বাভাবিকতা ফেরার ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *